Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

আদর্শ ও উদ্দেশ্য

১.    চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে আগত দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের ভর্তি ও চিকিৎসা বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান।

২.    হাসপাতালে ভর্তিকৃত দুঃস্থ রোগীদের জীবন রক্ষাকারী্ ঔষধ (যে গুলো হাসপাতাল হতে সরবরাহ করা হয় না) রক্ত, বস্ত্র, চশমা,

       কৃত্রিম অঙ্গ, ও যাতায়াত খারচ প্রদান এবং বিভিন্ন পরীক্ষার ব্যবস্থা করা।  

৩.    দুঃস্থ রোগীদের জন্য বিনা মূল্যে বা বিনিময়ের মাধ্যমে রক্ত দানের জন্য জনসাধারণকে উদ্ধুদ্ধ করা।

৪.    সমিতির তহবিল গঠন ও ব্যয় নির্বাহের জন্য সদস্য ফি, চাঁদা, দান, অনুদান ও যাকাত এবং পণ্য সাহায্য যথাঃ কাপড়- চোপড়

       ঔষধ, চিকিৎসা সহায়ক যন্ত্রপাতি, কৃত্রিম অঙ্গ শয্যা ইত্যাদি সংগ্রহ করা। 

৫.    হাসপাতালে পরিত্যক্ত অসহায় শিশুদের ছোটমণি নিবাস, সরকারী শিশু সদনদ বা শিশু পরিবারে ভর্তির প্রয়োজনীয় চিকিৎসার

       ব্যবস্থা করা।

৬.    মহিলাসহ নিঃসম্বল রোগীদের পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল উদ্দ্যোগ গ্রহণ।

৭.    হাসপাতালে ভর্তি হওয়া, রোগীদের চিত্ত বিনোদনের জন্য পাঠাগার পরিচালনা ও সম্ভাব্য অপরাপর ব্যবস্থা গ্রহণ।

৮.    প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে চিকিৎসা গ্রহণরত রোগীদের এক হাসপাতাল হতে অপর হাসপাতালে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা।

৯.    সাহায্যপ্রাপ্ত রোগীদের নাম-ঠিকানাসহ প্রয়োজনীয় তথ্য নথিভুক্ত করা।

১০.  চিকিৎসার পর প্রয়োজনবোধে ঠিকানা অনুযায়ী রোগীদের চিকিৎসা পরবরর্তী ফলোআপ করা ও প্রয়োজনী পদক্ষেপ নেওয়া।

১১.  নিজ বাসস্থান ও কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে গরীব রোগীদের যে সকল আর্থ-সামাজিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তা

       সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ।

১২.  রোগীদের (বিশেষ করে অস্ত্রোপচার ও ক্যান্সার জাতীয় জটিল রোগাক্রান্তদের) উুৎসাহ ও সান্তনা প্রদানের মাধ্যমে মানসিক স্বস্তি

       দান এবং তাদের বাড়িতে গিয়ে বা আত্নীয়-স্বজনদের সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের আত্তিক সহায়তা করা।

১৩.  সমিতির সদস্যগণ কর্তৃক সময় সময় হাসপাতাল পরিদর্শনের মাধ্যমে খোঁজ-খবর নেওয়া।

১৪.  বহিঃবিভাগের রোগীদের জন্য দুধ বিতরণ ও বিনোদন স্থাপন।

১৫.  দুঃস্থ রোগীদের কল্যাণে চিকিৎসা পরবর্তী আরোগ্যকালীন সময়ের জন্য আরোগ্য নিকেতন ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন

      (ভবিষ্যত পরিকল্পনা)।

১৬.  (দুরাগত) রোগীদের সাময়িক আশ্রয় দানের জন্য হোম বা রোগী নিবাস স্থাপন (ভবিষ্যত পরিকল্পনা)।

১৭.  অসহায় ও ক্রনিক (পুরাতন জটিল) রোগীদের পুনর্বাসনের জন্য সংশ্লিষ্ট রোগীর এলাকাবাসীদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন।

১৮.  অপরাপর কল্যাণমুলক সংস্থা ও সংগঠনের সাথে সহযোগিতা এবং তথা হতে সদস্য ও অন্যান্য সহায়তা গ্রহণ।

১৯.  মৃত দুঃস্থ রোগীদের লাশ পরিবহনের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান।