ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়া রোগীর আর্থিক সহায়তা কর্মসূচিটি ২০১৩-১৪ অর্থ বছর হতে চালু হয়েছে। ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থালাসেমিয়া আক্তান্ত গরীব রোগীদের সনাক্ত করে সমাজসেবা অধিদফতরের জনবল, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজনের সহযোগিতায় এ নীতিমালা অনুসরণ করে প্রকৃত দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের তালিকা প্রণয়নপূর্বক গৃহীত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যরালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগে আক্তান্ত গরীব রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়। আক্রান্ত রোগীর পরিবারের ব্যয়ভার বহনে সহায়তা করা হয়। সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সহায়তা করা হয়। ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগে আক্তান্ত গরীব রোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচিতে সমগ্র বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ১৯২ জন দরিদ্র রোগীকে এককালীন ৫০,০০০/- টাকা হারে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩৯০ জন রোগীকে এ সহায়তা দেয়া হয়েছে। আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট সকল উপজেলা/ শহর সমাজসেবা কার্যালয়, চাঁদপুর এ বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। অথবা নিম্নলিখিত ডাউনলোড অপশন থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
আবেদনের পূর্বে নিম্নবর্ণিত নির্দেশিকা ভালভাবে পড়ুন:
অনলাইনে আবেদন করুন: www.welfaregrant.gov.bd
আবেদন ফরম (pdf) (আবেদন ফরমসহ আনুসাঙ্গিক কাগজপত্র ও প্রত্যয়ন পত্র পূরণ করে ০২(দুই) কপি নিজ নিজ উপজেলা অথবা শহর সমাজসেবা কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। উল্লেখ্য, বছরের যে কোন সময়ে উপজেলা/ শহর সমাজসেবা কার্যালয়গুলোতে আবেদন জমা দেয়া যাবে। জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে সরাসরি আবেদন প্রেরণের সুযোগ নেই।
চাঁদপুর জেলায় ক্যান্সার, কিডনী, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যাঃ
অর্থবছর |
উপকারভোগীর সংখ্যা |
সহায়তার পরিমাণ |
মন্তব্য |
২০১৩-১৪ |
০৬ |
৩,০০,০০০/- |
জনপ্রতি এককালীন ৫০,০০০/- হারে প্রদান করা হয়। |
২০১৪-১৫ |
১০ |
৫,০০,০০০/- |
|
২০১৫-১৬ |
১৬ |
৮,০০,০০০/- |
|
২০১৬-১৭ |
২৪ |
১২,০০,০০০/- |
|
২০১৭-১৮ |
৫৪ |
২৭,০০,০০০/- |
|
২০১৮-১৯ |
১৯২ |
৯৬,০০,০০০/- |
|
২০১৯-২০ |
২০৮ |
১,০৪,০০,০০০/- |
|
২০২০-২১ | ৩৮০ | ১,৯০,০০,০০০/- |
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস